বেতন নিয়ে এবার যে সুখবর শিক্ষকদের জন্য

জুলাই মাসের মধ্যে মাদরাসার শিক্ষকদের বেতন পরিশোধ করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শিক্ষাখাতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছেন। প্রধানমন্ত্রীর সবচেয়ে প্রিয় ও অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত খাত হচ্ছে শিক্ষা।

সোমবার (২২ জুন) দুপুরে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০তম বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উদযাপন ও ডিনস এবং ভাইস-চ্যান্সেলর অ্যাওয়ার্ড প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বর্তমানে অনেক মাদরাসা শিক্ষক মে ও জুন মাসের বেতন পাননি। তিনি জানান, ২০১৭ সালে নেওয়া ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার (ইটিএফ) প্রকল্পের ব্যয় ১০ কোটি টাকা থেকে বেড়ে প্রায় ৮০ কোটি টাকায় পৌঁছালেও প্রকল্পটি শেষ হয়নি।

মন্ত্রী বলেন, গত অন্তর্বর্তীকালীন সরকার প্রায় ১৭ হাজার মাদরাসা শিক্ষক নিয়োগ দিলেও তাদের বেতনের জন্য প্রয়োজনীয় আর্থিক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করেনি। প্রতি মাসে মাদরাসা শিক্ষকদের বেতন পরিশোধে ৫০০ কোটিরও বেশি টাকা প্রয়োজন হয়। আমাদের হাতে থাকা ১০০ কোটি টাকা ইতিমধ্যে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। জুলাই মাসের মধ্যে সব শিক্ষকের বেতন পরিশোধ করা হবে।

তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রীকে যদি জিজ্ঞাসা করা হয় তার সবচেয়ে পছন্দের বিভাগ কোনটি, তিনি বলবেন শিক্ষা। দ্বিতীয়বার জিজ্ঞাসা করলেও উত্তর হবে শিক্ষা। আর যদি জানতে চান কোন খাতকে তিনি অর্থনৈতিকভাবে সবচেয়ে বেশি স্বাবলম্বী করতে চান, সেখানেও তার উত্তর হবে শিক্ষা।

এহছানুল হক মিলন বলেন, দেশের বিপুল জনসংখ্যাকে মানবসম্পদে রূপান্তর করতে হলে কারিগরি শিক্ষার প্রসার ঘটাতে হবে। সরকার ষষ্ঠ শ্রেণি থেকেই শিক্ষার্থীদের কারিগরি শিক্ষার আওতায় আনার বিষয়ে চিন্তাভাবনা করছে।

তিনি বলেন, আমরা যদি আমাদের তরুণ জনগোষ্ঠীকে কারিগরি শিক্ষায় দক্ষ করে তুলতে পারি, তাহলে দেশের আয় বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে। একই সঙ্গে মাদরাসা শিক্ষাকে আধুনিকায়নের কাজও চলমান রয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানীর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন- নোয়াখালী-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো.শাহজাহান, বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড.মামুন আহমেদ, নোবিপ্রবির উপ-উপাচার্য ড. মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *